Home

মুসলমানরা নামাযের মধ্যে যা যা বলে ?

ইসলামে নামাযের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি; যেকারণে বলা হয়েছে- ‘নামায বেহেশতের চাবি’। তার মানে নামায না পড়লে কেউ বেহেশতে যেতে পারবে না, আর বেহেশতে যেতে না পারলে মুসলমানদের সব শেষ। কারণ, মুসলমানদের সকল প্রকার ইসলাম চর্চার একমাত্র লক্ষ্য হলো বেহেশত প্রাপ্তি, যে বেহেশতে গেলে প্রতিটি মুসলমান পুরুষ, ফুর্তি করার জন্য পাবে কমপক্ষে ৭২ জন করে হুর অর্থাৎ ১৬ বছর বয়স্কা সুন্দরী নারী এবং ২৮ জন করে গেলমান অর্থাৎ সুন্দর বালক।

যা হোক, নামাযের উদ্দেশ্য এবং নামাযের মধ্যে মুসলমানরা আসলে কী বলে, এটা না জানলে- যেকোনো সাধারণ মানুষেরই মুসলমানদেরকে দিনে ৫ বার নামায পড়তে দেখলে মনে হবে- আহা, মুসলমানরা কি ধর্মপ্রাণ জাতি! কিন্তু আপনি যদি জানেন যে মুসলমানরা আসলে নামায পড়তে বসে আরবিতে কী কী বলে, আপনার মনে মুসলমানদের প্রতি শুধু ঘৃণারই জন্ম হবে এবং মনে হবে, এটা আবার কোনো ধর্ম হলো ?

যা হোক, মুসলমানরা নামাযে দাঁড়িয়ে কী বলে, সেটা বলার আগে নামায সম্পর্কে আরো দু চারটা কথা বলে নিই, তাহলে মুসলমানদের নামায সম্পর্কে আপনার ধারণাটা আরো ক্লিয়ার হবে।

সবাই জানেন যে, মুসলমানরা দিনে ৫ বার নামায পড়ে, এই ৫ প্রকার নামাযের ভোরেরটির নাম- ফজর, দুপুরেরটির নাম- জোহর, বিকেলেরটির নাম- আছর, সন্ধ্যারটির নাম- মাগরিব এবং রাতেরটির নাম- এশা।

নামাযের দুটি অংশ- সুন্নত এবং ফরজ।

ফজরের নামাযের ক্ষেত্রে ২ রাকাত সুন্নত এবং ২ রাকাত ফরজ পড়তে হয়।ঠিক তেমনি ভাবে জোহরের নমাযেও ৪ রাকাত সুন্নত আর ৪ রাকাত ফরজ পড়তে হয়। আসর এর সময় ২ রাকাত সূন্নত, ২ রাকাত ফরজ; মাগরিবে ২ রাকাত সুন্নত, ৩ রাকাত ফরজ; আর সর্বশেষ এশার নমাজে ৪ রাকাত সুন্নত এবং ৪ রাকাত ফরজ পড়তে হয়।

এখানে অনেকের মনেই প্রশ্ন উঠতে পারে- রাকাত কী ?

– কোরানে মোট ১১৪টি সূরা আছে এবং ১১৪টি সূরা মিলিয়ে ৬২৩৭টি আয়াত আছে। এই সূরাগুলোর যেকোনো একটি থেকে যেকোনো তিনটি আয়াত পড়াকে বলে এক রাকাত।

এখন প্রশ্ন উঠতে পারে সুন্নত এবং ফরজ নামাযের মধ্যে পার্থক্য কী এবং এগুলো কিভাবে পড়ে ?

– আগেই বলেছি কোরানের যেকোনো সূরার যেকোনো ৩টি আয়াত পড়াকে বলে এক রাকাত। তাই ২ রাকাত মানে হলো ৬ টি আয়াত, একইভাবে ৩ বা ৪ রাকাত হলো যথাক্রমে ৯ এবং ১২টি আয়াত। নামাযের সুন্নত অংশে সেই নামাযের নিয়ম অনুযায়ী যে কয় রাকাত পড়তে হয় কোরানের যেকোনো সূরা থেকে সেই কয়টি আয়াত পড়লেই হয়, ফরজ অংশেও একইভাবে রাকাত হিসেব করে আয়াত পড়তে হয়, কিন্তু ফরজ নামাযের পূর্বে বাধ্যতামূলক সূরা ফাতিহা পড়তে হয়। অর্থাৎ সুন্নত ও ফরজ নামাযের মধ্যে পার্থক্য হলো- সুন্নত নামাযের আগে সূরা ফাতিহা পড়তে হয় না, ফরজ নামাযের আগে সূরা ফাতিহা পড়তে হয়।

মুহম্মদ যে কাজ করে গেছে, সেগুলোকে বলে নবীর সুন্নত। কেউ সেগুলো পালন করতে পারে বা নাও করতে পারে। কিন্তু মুসলমানরা বিশ্বাস করে যদি সুন্নতগুলো পালন করা হয়, তাহলে নবী খুশী হবে এবং নবী খুশী হলে বেহেশতে দু চারটি হুর বেশি পাওয়া গেলেও যেতে পারে। নবীর এই সুন্নতগুলো যেমন পালন করাও যায় বা না করাও যায়, তেমনি নামাযের সুন্নত অংশ কেউ পড়তেও পারে বা না পড়তেও পারে, কিন্তু ফরজ অংশ পড়া অবশ্যই বাধ্যতামূলক।

মুসলমানরা যখন একা একা নামায পড়ে, তখন তাকে নামাযের সবগুলো সূরা অবশ্যই মনে মনে আবৃত্তি করতে হয়, কিন্তু যখন তারা মসজিদে কোনো ইমামের পেছনে সমবেত হয়ে নামায পড়ে, তখন তাদেরকে কিছু বলতে হয় না, তখন যা বলার ইমাম একাই বলে, ইমামের পেছনে থাকা মুসলমানদের কাজ হলো ইমামের সাথে সাথে শুধু উঠা বসা করা এবং মাটিতে মাথা ঠেকানো।

৩০ প্যারা কোরান শরীফ বলে একটা কথা আপনারা শুনে থাকতে পারেন, কোরানের এই এক প্যারার মানে হলো- কোরানের ত্রিশ ভাগের এক ভাগ। রোযার মাস রমজানকে ত্রিশ দিন ধরে নিয়ে কোনো মুসলমান যেন প্রতিদিন এক প্যারা করে পড়ে ত্রিশ দিনে পুরো কোরান পড়ে শেষ করতে পারে, সেই জন্য কোরানকে ত্রিশভাগে ভাগ ক’রে এক ভাগকে এক প্যারা নাম দেওয়া হয়েছে। মুসলমানরা রমজান মাসে তারাবীহ নামে যে নামায পড়ে, সেই নামাযে এরা প্রতিদিন এক প্যারা করে প’ড়ে ত্রিশ দিনে ত্রিশ প্যারা কোরান শেষ করে। তার মানে নামাযের উদ্দেশ্যই হলো কোরানের সূরাগুলো মুসলমানদেরকে বার বার পড়তে বাধ্য করা।

যা হোক, কোরানের সব সূরা সমান নয়। কোরানে যেমন সর্বোচ্চ ২৮৬ আয়াতের বাকারা সূরা আছে, তেমনি ৩ আয়াতের কয়েকটি সূরাও আছে। এজন্য ত্রিশ প্যারার প্রত্যেক ভাগে সমান সংখ্যক সূরা নেই, কিন্তু মোটামুটি সমান সংখ্যক আয়াত আছে; কারণ, কোরানকে ত্রিশভাগে ভাগ করা হয়েছে সূরার ভিত্তিতে নয়, আয়াতের ভিত্তিতে।

কোরানের আয়াতগুলি মোটামুটিভাবে এক একটি বাক্য, সেটা সরল বাক্য হোক বা জটিল বা যৌগিক বাক্য। সরল বাক্যগুলো যেমন অল্প শব্দের হয়, তেমনি জটিল ও যৌগিক বাক্যগুলোতে শব্দ বেশি থাকে। যেসব সূরায় আয়াতের সংখ্যা বেশি, সেসব সূরায় জটিল ও যৌগিক বাক্যের ব্যবহার বেশি, কিন্তু ছোট সূরাগুলোতে সরল বাক্যের ব্যবহার বেশি।

যা হোক, তারাবীহর নামাযে মুসলমানরা কোরানের সব সূরা পড়তে বাধ্য হলেও, প্রতিদিনের সাধারণ নামাযে তারা পড়ে কোরানের যে সূরাগুলো সবচেয়ে ছোট, সেগুলো। এক রাকাত মানে তিন আয়াত হলেও, এই এক রাকাতের হিসেবে কেউ কেউ বেশি আয়াতও পড়তে পারে। যেমন কোনো সূরার আয়াত সংখ্যা যদি ৪ বা ৫ হয়, তাহলে এক রাকাতের হিসেবে কেউ কি আর ৩ আয়াত পড়ার পর ঐ বাড়তি ১ বা ২ আয়াত আর না পড়ে থাকতে পারে ? পারে না। তখন স্বাভাবিকভাবেই পুরো সূরাটিই শেষ করতে হয়। এক রাকাতে তিন আয়াত, এই হিসেবটি এজন্যই ধরা হয়েছে যে, কোরানের সূরাগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন আয়াত সংখ্যা বেশ কয়েকটি সূরার মাত্র তিনটি করে। এখন নামাযে যাতে সময় কম লাগে, সেজন্য মুসলমানরা সাধারণভাবে ছোট সূরাগুলো নামাযের জন্য সিলেক্ট করে, যাতে দ্রুত নামায শেষ করা যায়, সেরকম কয়েকটি সূরার নং হলো- ১, ১১১, ১০৮, ১০৯, ১০৫, ১০৪।

১ মানে সূরা ফাতিহা, যেটা ফরজ নামাযের পূর্বে অবশ্যই পড়তে হয়। সূরা ফাতিহার ৭ আয়াতের কথাগুলো হলো-
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু। যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহ তা’আলার যিনি সকল সৃষ্টি জগতের পালনকর্তা। যিনি দাতা ও দয়ালু। যিনি বিচার দিনের মালিক। আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি। আমাদেরকে সরল পথ দেখাও, যাহাদের প্রতি আক্রোশ হইয়াছে এবং যাহার পথ ভ্রা্ন্ত তাহাদের পথ নয়, যাহাদের প্রতি তুমি দয়া করিয়াছো, তাহাদের পথ প্রদর্শন করো।

– এখানে আমার প্রশ্ন হচ্ছে, কোরানের সকল কথাই নাকি আল্লার, তাহলে সূরা ফাতিহার মাধ্যমে কোন আল্লা, কোন আল্লার কাছে প্রা্র্থনা করছে ?

নামাযের অন্যতম সূরা হলো- কোরানের ১০৪ নং সূরা, সূরা হামজা। ৯ আয়াতের এই সূরার বক্তব্য হলো-

“প্রত্যেক দোষঘোষণাকারী ও দোষকারীর প্রতি, যে ধন সংগ্রহ করিয়াছে ও তাহা গণনা করিয়াছে, তাহাদের প্রতি আক্ষেপ। সে মনে করিয়া থাকে যে তাহার ধন তাহাকে অমরত্ব দান করিবে। না, না অবশ্য সে হোতমাতে নিক্ষিপ্ত হইবে এবং কিসে তোমাকে জানাইয়াছে হোতমা কী ? তা্হা আল্লার জ্বলন্ত অগ্নি, যাহা অন্তঃকরণে প্রবল হইবে, নিশ্চয় উহা তাহাদের সম্বন্ধে দীর্ঘ স্তম্ভে দ্বার রুদ্ধ হয়।”

-এই সূরা নাজিলের প্রেক্ষাপট হলো- শরীফের পুত্র আখনস এবং মগয়ার পুত্র অলীদ, একে অপরের কাছে বা অন্য লোকের কাছে মুহম্মদের নামে নানা সমালোচনা করতো, এদের ব্যাপারে এবং ধনী ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যে কোরানের এই সূরা নাজিল হয়েছে। এখানে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে ধন সঞ্চয় এবং গণনা করা আল্লার পছন্দ নয়; তাহলে আল্লার ইচ্ছার বিরুদ্ধে মুসলমানরা ধন সম্পদের লোভে ছুটে বা ছুটছে কেনো ? যখন কোনো মুসলমান ধন সম্পদের ব্যাপারে আগ্রহী হয়, তখন সে কি আর মুসলমান থাকে ? মুসলমানরা গরীব থাকবে, এটা মুহম্মদ ও আল্লার ইচ্ছা; কিন্তু বাস্তবতার কারণে মুসলমানরা আল্লা ও মুহম্মদরে সেই ইচ্ছাকে ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছে বা হচ্ছে, এই বিষয়টিই কি প্রমাণ করে না যে- ইসলাম, জীবন যাপনের জন্য একটি অবাস্তব থিয়োরি ? যা হোক, এই সূরায় হোতমা নামে একটি শব্দ আছে, এই হোতমা হলো ইসলামের ৭টি দোযখের ৩ নং দোযখের নাম।

নামাযের জন্য আরেকটি নিয়মিত সূরা হলো কোরানের ১০৫ নং সূরা, সূরা ফিল। ৫ আয়াতের এই সূরার বক্তব্য হলো-

“তুমি কি দেখো নাই যে, তোমার প্রতিপালক গজস্বামীদিগের সম্বন্ধে কেমন আচরণ করিয়াছিলেন? তাহাদের চক্রান্তকে কি তিনি বিফলতার মধ্যে স্থা্পন করেন নাই ? এবং তিনি তাহাদের প্রতি দলে দলে বিহঙ্গ প্রেরণ করিয়াছিলেন। সেই পক্ষি সৈন্য তাহাদের প্রতি কর্দমজাত ক্ষুত্র প্রস্তুর নিক্ষেপ করিতেছিলো। পরে তাহাদিগকে ভক্ষিত শস্য ক্ষেত্রের ন্যায় করিয়াছিলো।”

-এই সূরাটি ভালো করে পড়ে দেখুন, মনে হবে, এক আল্লা, অন্য এক আল্লার সম্পর্কে কথা বলছে। যা হোক, এটাই হলো মুসলমানদের গর্বের, কোরানের সেই বিখ্যাত সূরা, যে সূরায় আবাবিল পাখি কর্তৃক কাবা ঘরকে রক্ষার কথা বর্ণনা করা হয়েছে। ঘটনাটি হলো- ইসলামের প্রাদুর্ভাবের পূর্বে ইয়েমেনে আবরাহা নামক একজন খ্রিষ্টান শাসক ছিলো। আরবীয় সভত্যার শুরু থেকেই কাবা ঘর ছিলো, যেখানে ঐ এলাকার আশে পাশের লোকজনের প্যাগান ধর্ম বিশ্বাসের সকল প্রকার দেব-দেবীর মূর্তি রাখা ছিলো। ওই সব দেব-দেবীর পূজা প্রার্থনার জন্য প্রতি বছর প্রচুর লোক কাবার উদ্দেশ্যে যেতো, ফলে কাবার আশে পাশের লোকজনের প্রচুর আর্থিক উন্নতি ঘটে, ইয়েমেনের শাসক আবরাহার এটা সহ্য হতো না, তাই সে কাবা ধ্বংস করার জন্য বিশাল হস্তিবাহিনী নিয়ে কাবা আক্রমন করে, কিন্তু হাতিগুলো কাবার কাছে গিয়ে আবার ফিরে আসতে থাকে, শেষ পর্যন্ত ঝাঁকে ঝাঁকে পাখি, যাদের নাম নাকি আবাবিল, তারা ছোট ছোট পাথর পায়ের আঙ্গুল দিয়ে বয়ে নিয়ে এসে আবরাহার বাহিনীর উপরে নিক্ষেপ করতে থাকে, এভাবে পর্যুদস্ত হয়ে আবরাহার বাহিনীর কিছু ধ্বংস এবং কিছু পলায়ন করে।

মুহম্মদ কর্তৃক আঙ্গুলের ইশারায় চাঁদ দ্বিখণ্ডিত করার মতো, আবাবিল পাখির এই ঘটনাও শুধুমাত্র ইসলামের ইতিহাসেই পাওয়া যায়, পৃথিবীর অন্য কোনো ইতিহাস গ্রন্থে এই ঘটনার উল্লেখ নেই। তাই এই ঘটনা যে কতদূর সত্য, সেটা তো বোঝাই যায়। তারপরও মুসলমানরা যেহেতু এই ঘটনার কথা প্রচার করে বেশ গর্ব অনুভব করে, সেহেতু এই ঘটনাকে সত্য বলে ধরে নিয়ে, মুসলমানদেরকে জিজ্ঞেস করছি- আবাবিল পাখি যে কাবাকে রক্ষা করেছিলো সেই কাবা কি বর্তমানের কাবা ছিলো, নাকি ৩৬০ টি দেব-দেবীর মূর্তি সমৃদ্ধ কাবা ছিলো ? ঘটনাটি যেহেতু মুহম্মদের জন্মের আগে, এবং মুহম্মদ মক্কার দখল করার পর যেহেতু কাবার মূর্তিগুলো ভাঙ্গে, সেহেতু এটা ধরে নেওয়া যায় যে আবাবিল পাখি যে কাবা রক্ষা করেছিলো, সেই কাবায় ৩৬০ টির মতো দেব-দেবীর মূর্তি ছিলো, তার মানে আল্লা, আবাবিল পাখির সাহা্য্যে দেব-দেবীর মূর্তি সমৃদ্ধ কাবা মন্দির রক্ষা করেছিলো, বর্তমানের কাবা মসজিদ নয়। এই ঘটনা থেকে এটাই প্রমাণ হয় যে, আল্লা দেব-দেবীর মূর্তি সমৃদ্ধ কাবা ঘরের রক্ষক; কিন্তু মুহম্মদ, আল্লার ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে গায়ের জোরে কাবার মূর্তিগুলো ভেঙেছে।

এরই প্রেক্ষিতে মুসলমানদের উদ্দেশ্য আবার আমার প্রশ্ন- আবাবিল পাখি দেব-দেবীর মূর্তি সমৃদ্ধ যে কাবা মন্দির রক্ষা করেছিলো, কাবার সেই মূর্তিগুলি মুহম্মদ কর্তৃক ভেঙ্গে ফেলার পর, আবাবিল পাখির কাহিনী নিয়ে আপনাদের এত গর্ব কেনো ? মূর্খরা যেমন কিছু না বুঝেই হাসে, তেমনি আপনারাও অনেক কিছু না বুঝেই গর্ব করেন।

যা হোক, মুসলমানদের নামাযের নিয়মিত সূরার মধ্যে আরেকটি সূরা হলো কোরানের ১০৮ নং সূরা, সূরা কওসর বা কাওসার। মাত্র ৩ আয়াতের এই সূরা বক্তব্য হলো-

“নিশ্চয় তোমাকে আমি কওসর দান করিয়াছি। অনন্তর তুমি আপন প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে নামায পড়ো এবং উষ্ট্র বলিদান করো। নিশ্চয় তোমার যে শত্রু, সে নিঃসন্তান হয়।”

-এই সূরা নাজিলের কাহিনী হলো- একদিন ওয়াইলের পুত্র আস, কাবা থেকে একটু দূরে দাঁড়িয়ে মুহম্মদের সাথে কথাবার্তা বলার পর, মুহম্মদ অন্যত্র চলে যায় এবং আস কাবার নিকটে গেলে, আগে থেকেই কাবার নিকটে থাকা কিছু লোক আসকে জিজ্ঞসে করে, কার সাথে কথা বলছিলে, তখন আস মুহম্মদকে ঈঙ্গিত করে বলে এক অপুত্রক ব্যক্তির সাথে।

মুহম্মদের খালাম্মা টাইপের স্ত্রী খাদিজার গর্ভে মুহম্মদের এক পুত্র জন্মেছিলো, কিন্তু সে শিশুকালেই মারা যায়, ফলে মুহম্মদ ছিলো পুত্রহীন, আর পুত্রহীন ব্যক্তিদেরকে আরবে খুব একটা ভালো চোখে দেখা হতো না। আসের এই কথা মুহম্মদের কানে গেলে, আল্লা, মুহম্মদকে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য কোরানের এই আয়াতটি পাঠায়, যাতে আল্লা বলেছে- তোমাকে পুত্র দিই নি তো কী হয়েছে ? তোমাকে আমি দান করেছি কওসর, এই কওসর হলো বেহেশতের সরোবর, যে সরোবরের কূল সোনা মানিক্য খচিত, মৃত্তিকা সুগন্ধযুক্ত এবং শুভ্র, সরোবরের জল দুধের চেয়েও সাদা এবং মৃগনাভি অপেক্ষা অধিক সুগন্ধযুক্ত। আল্লা, মুহম্মদকে বলছে- তোমাকে এমন কওসর দান করেছি, তোমার পুত্র নেই বলে আক্ষেপ কেন করো ? তুমি ঐসব ভাবনা বাদ দিয়ে নামায পড়ো আর উট কুরবানি করো, আর তুমি মন খারাপ করো না, তোমার না হয় পুত্র নাই, কিন্তু যে তোমার, শত্রু সে নিঃসন্তান হবে।

কিন্তু বর্তমানে ইসলামিক সন্ত্রাস এবং মুসলমানদের নীতিহীনতার কারণে বিশ্বজুড়ে মুহম্মদের শত্রুর সংখ্যা কোটি কোটি, তাদের সন্তান জন্ম নিচ্ছে এবং সেই সন্তানরাও মুহম্মদের শত্রুতেও পরিণত হচ্ছে। তাহলে কোরানের এই বাণীর সত্যতা কোথায় ? এই সূরার আরেকটি বিষয় লক্ষ্যণীয়, এখানে মুহম্মদকে আল্লা নির্দেশ দিয়েছে উট কুরবাণী করতে, কিন্তু মুসলমানরা উটকে পশু হিসেবে ধরে নিয়ে সকল প্রকার পশু নির্বিচারে হত্যা করে চলেছে, এটাই কি সম্পূর্ণ ইসলাম বিরোধী নয় ?

যা হোক, মুসলমানদের রেগুলার নামাযের আরেকটি রেগুলার সূরা হলো- কোরানের ১০৯ নং সূরা, সূরা কাফেরুন, ৬ আয়াতেই এই সূরার বক্তব্য হলো-

“তুমি বলো, হে কাফেরগণ, তোমরা যাহাকে পূজা করিয়া থাকো, আমি তাহাকে পূজা করি না। এবং আমি যাহাকে অর্চনা করিয়া থাকি, তোমরা তাহাকে অর্চনা করো না। এবং তোমরা যাহার পূজা করো আমি তাহার পূজক নহি। এবং আমি যাহাকে পূজা করি তোমরা তাহার পূজক নও। তোমাদের জন্য তোমার ধর্ম, আমার জন্য আমার ধর্ম।”

এটাও মুসলমানদের মুখে বহুল প্রচারিত একটি সূরা এবং তার চেয়েও বেশি প্রচারিত এই সূরার একটি আয়াত হলো- “তোমাদের জন্য তোমার ধর্ম, আমার জন্য আমার ধর্ম।”

আল্লা যদি কোরানে এই কথা বলে থাকে যে, ” তোমাদের জন্য তোমার ধর্ম, আমার জন্য আমার ধর্ম”, তাহলে সেই আল্লা কিভাবে কোরানের ৩/৮৫ নং আয়াতে বলে যে- “ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো ধর্ম চাইলে কখনো তা গ্রহণ করা হবে না” ? আবার কিভাবে কোরানের ২/১৯৩ আয়াতে বলে যে, ”

তোমরা তাদের সাথে লড়াই করতে থাকো,যতক্ষণ না ফেতনা চুড়ান্তভাবে শেষ হয়ে যায় ও দ্বীন কেবলমাত্র আল্লার জন্য নির্দিষ্ট না হয়” ? আবার কিভাবে কোরানের ৯/৫ নং আয়াতে বলে যে, “অতএব হারাম মাস যখন অতিবাহিত হয়ে যাবে, তখন মুশরিকদের হত্যা কর যেখানেই তাদের পাও এবং তাদের ধরো, ঘেরাও করো এবং তাদের প্রতিটি ঘাঁটিতে তাদের খবরাখবর নেওয়ার জন্য শক্ত হয়ে বসো। অতঃপর তারা যদি তওবা করে, নামায কায়েম করে ও যাকাত দেয়, তাহলে তাদেরকে তাদের পথ ছেড়ে দাও। আল্লাহ বড়ই ক্ষমাশীল ও করুনাময়।” ?

-একমুখে দুই কথা বলার জন্য বোঝাই যাচ্ছে যে আল্লা একটা ভণ্ড, কিন্তু মুহম্মদও যদি- “তোমার ধর্ম তোমার, আমার ধর্ম আমার”, কোরানের এই কথা বিশ্বাস করতো, তাহলে সে কিভাবে গায়ের জোরে মক্কা দখল করার পর কাবার মধ্যে থাকা মূর্তিগুলোকে ভাঙতে পারতো ? আল্লার যেমন কথার ঠিক নেই, তেমনি মুহম্মদেরও কথা ও কাজের কোনো মিল নেই, এই দুইজনকে শুধু ভণ্ড বললে গায়ের রাগ মিটবে না, এদের জন্য আসলে উপযুক্ত গালি হলো- মাদারচোদ।

যা হোক, নামাযের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূরা হলো, সূরা লাহাব, এটি কোরানের ১১১ নং সূরা, এর আয়াত সংখ্যা ৫। এই সূরাতে বলা হয়েছে-

“আবু লাহাবের হস্তদ্বয় ধ্বংস হোক। তাহার ধন ও সে যাহা উপার্জন করিয়াছে তাহা হইতে শাস্তি কিছু্ই নিবারণ করে নাই। অবশ্য, সে এবং তাহার ভার্যা শিখা বিশিষ্ট অনলে উপস্থিত হইবে। তাহার গ্রীবাদেশে ইন্ধন উত্তোলক খোর্মা বল্কলের রজ্জু থাকিবে।”

এই আবু লাহাব, যাকে মুসলমানরা প্রতিদিন পাঁচবার নামাযের মাধ্যমে অভিশাপ দিচ্ছে, সেই আবু লাহাব ছিলেন মুহম্মদের চাচা। আবু লাহাব, মুহম্মদের আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে একটি বড় পাথর তুলে মুহম্মদকে মারতে গিয়েছিলো, তাতেই নাকি আল্লা এই আয়াতটি নাজিল করে। আবু লাহাবের স্ত্রীও মুহম্মদকে সহ্য করতে পারতো না, মুহম্মদকে শায়েস্তা করার জন্য সে রাতের বেলা পথে কাঁটা বিছিয়ে রাখতো, এই দুইজনের উদ্দেশ্যেই লাহাব সূরাটি অবতীর্ণ হয়।

এখানে সবচেয়ে বড় লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে- আল্লা, কুন বা হও বলার সাথে সাথে নাকি সবকিছু হয়ে যায়, আল্লা যেহেতু বলেছে আবু লাহাবের হস্তদ্বয় ধ্বংস হোক,. তাহলে তো সেটা সাথে সাথে ধ্বংস হওয়ার কথা ছিলো, যদি আল্লা বা আল্লার কোনো শক্তি থাকে; কিন্তু বাস্তবে সেটা হয় নি, এই আয়াত আসার ১৩ বছর পর বদরের যুদ্ধ সংঘটিত হয়, যে যুদ্ধে আবু লাহাব নিহত হয়, মানে ধরে নিলাম তার হাত ধ্বংস হয়, তাহলে আল্লার একটি ইচ্ছা বাস্তবে পরিণত হতে এত সময় লাগলো কেনো ? আবার যেহেতু ঐ আয়াতে বলা হয়েছে- আবু লাহাবের হস্তদ্বয় ধ্বংস হোক, আবু লাহাবের মৃত্যুর সাথে সাথে সেটা হয়েও গেছে, তারপরও মুসলমানরা সেই আবু লাহাবকে গত ১৪০০ বছর ধরে দিনে ৫ বার করে অভিশাপ দিয়ে যাচ্ছে কেনো ? এছাড়াও মুসলমানরা প্রচার করে আল্লা এবং নবী নাকি খুব দয়ালু, তাহলে সেই দয়ালু আল্লার মুখে লাহাবের প্রতি এমন অভিশাপের বাণী কেনো ? সূরা লাহাব ছাড়াও সূরা কওসরে আমরা দেখেছি- মুহম্মদের শত্রুরা নিঃসন্তান হবে বলে আল্লা অভিশাপ দিচ্ছে, বাস্তবে এর কোনো কোনো কার্যকারিতা আছে কী ?

অভিশাপ কারা দেয়, সেই বিয়ষটি বুঝলে আমরা বুঝতে পারবো, আল্লা আসলে কত দুর্বল ? অভিশাপ দেয় দুর্বলেরা, যারা মনে করে যে তাদের উপর অন্যায় অত্যাচার হচ্ছে, কিন্তু তারা শক্তির অভাবে তার প্রতিরোধ করতে পারছে না। এই সব ব্যক্তিরা ঐসব ব্যক্তির উদ্দেশ্যে অভিশাপ দেয় এই আশায় যে আমার উপর যে অন্যায় করছিস, তার শাস্তি একদিন তোরা পাবি। কিন্তু যারা শক্তিশালী, যারা প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করতে পারে, তারা কোনো দিন কাউকে অভিশাপ দেয় না। মুহম্মদের হয়ে আল্লা মুহম্মদের শত্রুদেরকে অভিশাপ দিচ্ছে, এই ঘটনায় প্রমাণ করে যে- মুহম্মদ এবং আল্লা অত্যন্ত দুর্বল।

আশা করছি, উপরের আলোচনা থেকে, মুসলমানরা নামায পড়তে বসে আসলে কী বলে এবং কেনো বলে, সেই বিষয় এবং সেই বিষয়গুলো প্রেক্ষাপট আমার বন্ধুদের কাছে ক্লিয়ার করতে পেরেছি।

আগে শুনতাম  দেশে খালি মেয়েরা ধর্ষন হয় এখন দেশে পোষা প্রাণিদের ও ছাড়ছেনা ধর্ষকরা। তেমন একটা ঘটনা ঘটেছে নোয়খালিতে। হাসান আহমেদ উরফে তানভির নামে এক ছেলে নোয়াখালীর সোনাইমুরী তে কুকুরকে ধর্ষন করার সময় হাতে নাতে ধরা খেলো। তখন পাবলিক তার এই কুকর্ম দেখে তাকে গণধোলাই দেয়।  আর তাকে জুতার মালা পরিয়ে কাম ধরে উঠ বস করিয়েছে । শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা গেছে কুকুরটির অবস্থা ভালোনা আর কুকুরটি ছিলো ছেলে কুকুর। ককুরটির প্রচুর রক্তক্ষরন হয়েছে।এলাকার লোকজন এখন হাসান(তানভির) কে কুকুরটিকে বিয়ে করার জনয বলছেন।

দেশে বেড়েছে ধর্ষন। আগে তো শুধু মেয়েরা  ধর্ষন হতো এখন এইওসব থকে রক্ষা পাচ্ছেনা  ছেলেরাও।কাল কুমিল্লায় ঘটেছে এমন এক ঘটনা। কুমিল্লার যুবক সাকিব হোসাইন (১৭) তার বাসার কাজের  ছেলেকে তার রুমে ডুকিয়ে হাত পা বেধে ধর্ষন করার চেষ্টা করেন তখন তাকে হাতে নাতে ধরে তার আব্বু মফিজ মিয়া। তখন সে তার ছেলের কুকর্ম দেখে তা না মানতে পেরে পুলিশকে কল দেয় এবং তাকে হাজতে ডুকিয়ে দেয়। পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসা করলে সে কেন করেছে এই কাআজ সে উত্তরে বলে তার নাকি ছেলেদের প্রতি আলাদা ভালোবাসা আছে । তার নাকি ছেলেদের সাথে যৌন কর্ম করতে ভালো লাগে। তার বাসার আগের সব কাজের ছেলে তার এই কুকর্মের স্বীকার হয়ে তাদের বাসার কাজ ছেড়ে চলে যাই। তার আব্বুর সেনাবাহীনির সম্মান সব সে এইভাবে ধুলোয় মিশিয়ে দিচ্ছে। তার আব্বু ভয়ে বাসায় আর কাজের ছেলে/মেয়ে রাখবেনা বলে ঠিক করেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কাজের ছেলেটা হাসপাতালে ভর্তি।তাকে ভার্জিন পাছাতে Anal দেওয়াতে তার প্রচুর রক্তক্ষয় হয়। আর সাকিব কুমিল্লা সেন্টার জেইলে আছে।

 

 

হ্যাকিংয়ের অভিযোগে গার্লস প্রায়োরিটি গ্রুপের অ্যাডমিন তাসনুভা আনোয়ারকে আটক করেছে সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পেইজ, গ্রুপ, ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি হ্যাক করার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া সালমান মোহাম্মদ ওয়াহিদের দেয়া তথ্য যাচাই বাছাই ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাসুনভা আনোয়ারকে আটক করা হয়। এর আগে একই অভিযোগে ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে দুইবার তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ। বুধবার বিকেলে কাউন্টার টেরোরিজমের একটি ইউনিট নগরীর চিটাগাং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি থেকে তাকে আটক করলেও বিষয়টি গোপন রাখা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। এ সময় তাসনুভার সঙ্গে গার্লস প্রায়োরিটি গ্রপের আরেক অ্যাডমিন আমেনা বেগম চৈতীও ছিলেন। সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট সূত্রে জানা যায়, ২৬ মে পাঁচলাইশ থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তাসনুভা আনোয়ার, আমেনা চৈতী, সালমান মোহাম্মদ ওয়াহিদসহ কয়েক জনকে আসামি করে মামলা করেন ইসতিয়াক হাসান। তার অভিযোগ, সালমান ও তার গ্রুপের কিছু সদস্য ইসতিয়াকের স্ত্রী জুহি চৌধুরীর নামে বিভিন্ন ফেক আইডি খুলে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচার করছে। তারা ১১ মে জুহি চৌধুরীর ফেসবুক আইডির বিপরীতে নকল ডেথ সার্টিফিকেট বানিয়ে তিনি মারা গেছেন বলে ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে রিপোর্ট করেছে। এ কারণে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ জুহি চৌধুরীর কাছ থেকে ফেসবুক এক্সেস নিয়ে নেয়। নগর গোয়েন্দা পুলিশ ও কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট সূত্রে জানা গেছে, হ্যাকার সালমান মোহাম্মদ ওয়াহিদের সঙ্গে তাসনুভা আনোয়ারসহ গার্লস প্রায়োরিটি গ্রুপের অ্যাডিমনদের সখ্যতা রয়েছে। অভিযুক্ত তাসনুভা আনোয়ার বলেন, সালমানের সঙ্গে আমাদের সখ্যতা রয়েছে ঠিকই কিন্তু আমরা কোনোভাবেই হ্যাকিংয়ের সঙ্গে জড়িত না। তিনি কোনো গ্রুপের আইডি হ্যাক করবেন তা আমাদের জানা ছিলো না। সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার পলাশ কান্তি জানান, অভিযোগে তাসনুভাসহ কয়েকজনের নাম রয়েছে। তাই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাসনুভাকে ডাকা হয়েছিলো। প্রয়োজনে তাকে আবারো ডাকা হতে পারে। এছাড়া হ্যাকার সালমানের তিন দিনের রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করলে তাসনুভা ও সালমানকে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।

আজকে SSC এবং সমমান পরিক্ষার ফল প্রকাশিত হলো। এর ই মাঝে নোয়াখালীতে ঘটলো এক অন্যরকম ঘটনা।

গার্ল্ফ্রেন্ড এর রেজাল্ট ফেল আসাতে তার ই বয়ফ্রেন্ড নিজের প্রান দিয়ে দিলো।

এলাকাবাসির থেকে জানা যায় মেয়েটির সাথে দীর্ঘদিন ছেলেটির সম্পর্ক ছিলো। কিন্তু এমন হলো কেনো সেটা জানতে চাইলে মেয়েটির পরিবার থেকে কেও কোন কথা বলতে না চাইলেও কাজের লোকের থেকে জানা যায় কিছুদিন ধরেই মেয়েটির বিয়ের ব্যাপারে কথা হচ্ছিলো।

ছেলেটির ফ্যামিলির চেয়ে প্রভাব শালী ছিলো মেয়েটির পরিবার। মেয়েটির বাবা হচ্ছে নোয়াখালীর সোনাপুর এর কাটমোল্লা মাতবর।

তিনি তার এলাকায় অনেক প্রভাবশালী। মেয়েটিকে বলা হয়েছিল SSC এর রেজাল্টে পাশ করলে বিয়ে দিবেনা এবং ওই ছেলেটির সাথেই বিয়ে দিবে। কিন্তু মেয়েটি SSC পরিক্ষায় পাশ করে উত্তীর্ণ হতে পারে নাই তাই ওই ছেলেটির সাথে আর বিয়ে দিবেনা বলে জানান। তাই ছেলেটি কষ্ট পেয়ে নিজেই আত্নহত্যা করেন।

Download Xiaomi USB https://hmlsoftware.blogspot.com/2019/04/xiaomi-usb-driver-official-free-download.html Free

Download Unlock https://hmlsoftware.blogspot.com/2019/04/mi-account-bypass-frp-unlock-pattern.html

Free And Without Password

Download Mi Account Bypass Tool Without Password

All Xiaomi Official Firmware Free

https://hmlsoftware.blogspot.com/2019/03/xiaomi-flash-file-without-password-all.html?m=1

You can unlock your MI account by these.

Keyboard shortcuts:

  • CTRL And Press C: All Copy
  • CTRL And Press X: All Cut
  • CTRL And Press V: All Paste
  • CTRL And Press Z: All Undo
  • CTRL And Press Y: All Redo
  • CTRL And Press B: All Bold
  • CTRL And Press U: All Underline
  • CTRL And Press I: All Italicize.

Keyboard shortcuts for all internet browsers:

  • CTRL And Press N: Open A New window
  • CTRL And Press T: Add A New tab
  • CTRL And Press Shift T: Reopen Your last closed tab
  • CTRL And Press Shift W: Close all Recently open tabs, your browser
  • CTRL And Press W: Close Your All current tab
  • CTRL And Press Plus: Page Zoom in
  • CTRL And Press Minus: Page Zoom out
  • CTRL And Press 0: Your Page Resets zoom to default
  • CTRL And Press F: Find on page Any Word

You know, through some apps we can see live TV free on the mobile or computer or online website. Again there are some apps that take money. So many of us know, but many people do not know that there are free apps without money, which can be seen live live or TV. I got an app in front of you today bioscope live tv to watch live tv live Do not download the video below and download the apps.

What is SSL Certificates:
Suppose a website is under SSL certificates; However, all the information posted on that website or all the information of the subscriber or the subscriber goes directly to the server by encrypting it to the server meaning that the data here is 100% secure. Here the encrypted means that the data is transformed into a secret format and nobody understands it without the main server Or can not steal. Here no third party can take any information here between websites and servers.

In case of internet banking:
In this case it is very important to have an SSL certificate or to have an encrypted server directly; Because many times a lot of information goes to hackers, then they can easily get billions of money easily.

For e-commerce sites:
E-commerce sites have become very popular in Bangladesh as in other countries. The people of Bangladesh are now shopping at home through these sites. Here people are sending money directly through the internet via their debit or credit card. There is a risk to it that if someone else gets the card information?

Therefore, it is very important to have an encrypted server directly in this field. Thus, SSL certificates are important for security of all important websites.

Suppose no website has an SSL certificate; That is, before the link is http: //; Hackers can easily hack or steal information about the website’s visitors. Such as on facebook.com; The link is written before https: //; It means that the information of the user here is 100% safe.

So try to visit only those websites from today; Where is the SSL certificate. I hope you know a bit about the SSL certificate.

STEP 1 – Open Facebook Messenger

STEP 2 – Open Chat (With Someone or Yourself) By Mistake i Chat With Business Page (Please Do it With Any Person)

STEP 3 – Find The Moon Emoji

STEP 4 – Send it Once And Suddenly Moons Will Shower And Facebook Messengers Dark Mode is Unlocked As i Already Did So I Did’t Got The Option of Change to Dark Mode in Settings.

FOLLOW THESE STEPS IF THE UPPER ONE DOES’T WORK FOR YOU | WE WILL FIX THIS ISSUE EASILY STEP BY STEP

STEP 5 – Click on The Image in Chat or You Can Go To Messenger Settings And Do The Next Step to Unlock it

STEP 6 – Now Click on Emoji (The Default is Thumbs up.

STEP 7 – Now Choose This Moon Emoji From Here as Default As in Image Below .

STEP 8 – Now You Can See Our Default Emoji is Changed From Thumbs up To Moon. Click The Moon From Here.

STEP 9 – When You Followed Step 8 This Section Will Appear And BOOM Your Facebook Messenger’s Dark Mode is UNLOCKED!

Buying a used smartphone can save you some money, but it obviously involves a few risks.Like making sure it’s in good condition (and that it isn’t stolen). Here are some tips I’ve learned after buying many used phones.
Smartphone makers release new models every year. Since people always have the itch to upgrade, you can get a fantastic deal on a used smartphone as long as you’re willing to forego the cutting edge. The “latest and greatest” is not always all it’s cracked up to be anyway.
Still, buying a used smartphone means you have to do your due diligince. For one, warranty is usually out of the question, or it will at least be significantly reduced. Second, you need to ensure everything is working correctly. And finally, based on these, you have to get the right price.
Research for the Right Price

The point of buying a used smartphone is to get a good price, so you need to put in a little research first. To get the best deal, you need to see how many people are selling that smartphone right now and at what price. To do that, search for the handset on eBay, Craigslist and Swappa. You will come across enough listings, but there are a few things to note:
1 Make sure it’s unlocked. Craigslist and eBay have plenty of people selling locked smartphones, which cost a little less than what you would look for.
2 On eBay, check only the Buy It Now prices, not the current bids. Bids can tell you how much people might be willing to pay, but I have found it a better way to go by what sellers look for.
3 Don’t note the median price, note the prices of what you are looking for. Used smartphones come in various levels of condition, so you need to actually click those links and read the description to know whether the condition meets what you are looking for. Once you find such items, note their prices as that’s what your reference is, not items which are in better or worse condition.
4 Check the price of what a new phone costs with similar specifications. If you’re buying a one-year-old smartphone for a price where you can get a similar new phone, the deal isn’t worth it because you lose out on warranty.
5 Make sure all the accessories are intact. If they aren’t, find out what it would cost you to buy each accessory and use that as a bargaining chip to reduce the price.